চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ
গণমানুষের বৃহত্তম সংগঠন শহীদী কাফেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।


গাজায় ইসরাইলি সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

মহিমান্বিত লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও মর্যাদা এবং বর্তমান বিশ্বের সংকটকালীন অবস্থার জন্য দোয়ার আহ্বান
যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লংঘন করে ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বর হামলার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের মানববন্ধন।।

ইসরাইলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণা করে জাতিসংঘের সদস্যপদ বাতিল করার দাবি - মহানগরী দক্ষিণ, মহিলা জামায়াতের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে
গণমানুষের বৃহত্তম সংগঠন শহীদী কাফেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন মুক্তি অর্জনই দলের প্রধান উদ্দেশ্য। কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ, জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়করণ, ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকারসহ সকল নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে সক্রিয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় রয়েছে বিশেষ আগ্রহ ও দৃষ্টিভঙ্গি।
জামায়াতের ৪ দফা কর্মসূচি
দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তি পেতে হলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা'আলাকে একমাত্র ইলাহ ও মুহাম্মাদকে (সা.) একমাত্র আদর্শ নেতা মেনে নিন।
→দাওয়াত
দাওয়াতের মাধ্যমে চিন্তার পরিশুদ্ধি ও পুনর্গঠন — কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক শিক্ষাকে বলিষ্ঠ যুক্তির সাহায্যে তুলে ধরা।
সংগঠন ও প্রশিক্ষণ
ইসলাম কায়েমের সংগ্রামে আগ্রহী ব্যক্তিদের সুসংগঠিত করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার যোগ্য করে গড়ে তোলা।
সমাজ সংস্কার ও সেবা
জনসেবা ও সমাজ সংস্কারের বাস্তব কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার
জনকল্যাণমুখী আদর্শ রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন — সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা।

























